[ad_1]
এ সম্পর্কে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা প্রথম আলোকে বলেন, সিটি ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ পৃথকভাবে মামলা করেছে। সিটি ইউনিভার্সিটির দায়ের করা মামলায় একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১ হাজারজনকে এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সিটি ইউনিভার্সিটির দায়ের করা মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রের থুতু ফেলার সময় অসাবধানতাবশত বিবাদী ফাহাদ নামের একজনের পায়ে পড়ে। ওই ছাত্র দুঃখ প্রকাশ করলেও ড্যাফোডিল কয়েক ছাত্র ঝগড়া শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ফাহাদসহ অজ্ঞাত এক হাজারের অধিক ছাত্র নামধারী দুষ্কৃতকারী এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের (ড্যাফোডিল) কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ও প্ররোচনায় অস্ত্রসহ বেআইনিভাবে সমবেত হন। তাঁরা রাহাজানি, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করার উদ্দেশ্য নিয়ে সিটি ইউনিভার্সিটির মেইন ফটকে নিরাপত্তায় থাকা সিকিউরিটি গার্ডদের গুরুতর আঘাত করেন। তবে মূল ফটক দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে হামলাকারীরা মূল ফটকের পাশের দেয়াল ওয়াল গ্রাইন্ডিং মেশিন দিয়ে কেটে বিশ্ববদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে পেট্রলবোমা, হাতবোমা ছোড়েন এবং ছাত্রছাত্রীদের পরিবহনের ৫টি বাস ভাঙচুর করেন। ৩টি বাস, ৩টি মাইক্রোবাস, ১টি প্রাইভেট কার, ২টি মোটরসাইকেল বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা ইউনিভার্সিটির প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুর, দামি জিনিসপত্র লুটপাট ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। ইউনিভার্সিটির হিসাব শাখা থেকে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যান।
[ad_2]
Source link
